হাওজা নিউজ এজেন্সি: ইমান হাসান (আ.) মানুষের জীবনে কল্যাণ অর্জনের ক্ষেত্রে চিন্তাভাবনার মৌলিক ভূমিকার কথা উল্লেখ করে বলেন—
أُوصِیکُمْ بِتَقْوَی اللَّهِ وَإِدَامَةِ التَّفَکُّرِ، فَإِنَّ التَّفَکُّرَ أَبُو کُلِّ خَیْرٍ وَأُمُّهُ.
আমি তোমাদের আল্লাহভীতি তথা তাকওয়া অবলম্বন এবং নিরন্তর চিন্তাভাবনার উপদেশ দিচ্ছি। নিশ্চয়ই চিন্তাভাবনাই সকল কল্যাণের পিতা ও মাতা।
[মাজমু‘আয়ে ওয়াররাম, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ৫২]
এই বাণীতে ইমাম (আ.) বোঝাতে চেয়েছেন যে, সঠিক ও গভীর চিন্তাভাবনা মানুষের অন্তর্দৃষ্টিকে জাগ্রত করে এবং তাকে সত্য, সৎকর্ম ও কল্যাণের পথে পরিচালিত করে। মানুষ যখন নিজের সৃষ্টির উদ্দেশ্য, জীবন ও কর্মের পরিণতি এবং আল্লাহর প্রতি নিজের দায়বদ্ধতা নিয়ে চিন্তা করে, তখন তার মধ্যে তাকওয়া ও নৈতিক সচেতনতা আরও দৃঢ় হয়। এ কারণেই চিন্তাশীলতা সকল কল্যাণের ভিত্তি ও উৎস হিসেবে বিবেচিত।
আপনার কমেন্ট